(News copied from- 'হিন্দুস নিউজ')
তদন্তের এই অস্বাভাবিক ও রহস্যজনক প্রক্রিয়ার এখানেই শেষ নয়। অনুসন্ধানে দেখা গেছে, চার-চারটি তরটা সতেজ প্রাণ কেড়ে নেওয়া প্রাঙ্গণ ও পুরো ফ্ল্যাট চষে ফেলেও ক্রাইম সিন ইনভেস্টিগেশন টিম একটিমাত্র সুস্পষ্ট বা শনাক্তযোগ্য ফিঙ্গারপ্রিন্টের রেকর্ড বা আঙুলের ছাপ উদ্ধার করতে পারেনি। পুলিশের নিজস্ব সংবাদ সম্মেলনের দেওয়া বক্তব্য অনুযায়ী, অভিযুক্ত হিসেবে অভিযুক্ত সিদ্ধার্থ দাস ও মুগ্ধ দাস বাড়ির ভেতরে প্রবেশ করেছে, বিভিন্ন স্থানে ঘোরাঘুরি করেছে এবং ঘরের জিনিসপত্র নাড়াচাড়া করেছে। যদি অভিযুক্তদের ঘরের ভেতরে সক্রিয় উপস্থিতি থেকে থাকে, তবে গোটা বাড়ি জুড়ে একটিও ব্যবহারযোগ্য আঙুলের ছাপ না পাওয়া বিজ্ঞানসম্মত তদন্ত প্রক্রিয়ার ওপর বড় ধরনের প্রশ্নচিহ্ন দাঁড়িয়ে করায়। এই ফিঙ্গারপ্রিন্ট সংগ্রহের জন্য ঠিক কোথায় কোথায় কী ধরনের কেমিক্যাল বা আধুনিক প্রযুক্তি ব্যবহার করা হয়েছিল, তার কোনো স্পষ্ট জবাব মিলছে না। আলামত জটে রেখে দেওয়ায় কালক্ষেপণ, ডিজিটাল প্রমাণের অবহেলা এবং বায়োমেট্রিক আলামত হদিস না পাওয়ার পেছনে কোনো অদৃশ্য হাতের খেলা রয়েছে কি না, তা নিয়ে সংখ্যালঘু সনাতনী সমাজ তথা সাধারণ ন্যায়বিচারকামী মানুষের মনে তীব্র প্রশ্নের জন্ম দিচ্ছে। নিরপেক্ষ তদন্ত ও প্রকৃত অপরাধীদের দ্রুত দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির আওতায় না আনা পর্যন্ত এই বিচারহীনতার সংস্কৃতি মানবাধিকারের ভিত্তিকে ক্রমাগত দুর্বল করে তুলছে।
মতামত