সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক পদে নিয়োগ পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হয়েও ভেরিফিকেশনে বাদ পড়েছিলেন রাহুল দাস
এ নিয়ে হতাশ হয়ে ফেসবুকে পোস্ট দেন তিনি। তার সে পোস্ট ব্যাপকভাবে ছড়িয়ে পড়ে। নাড়া দেয় সাধারণ মানুষের মনে।
অবশেষে নিয়োগপত্র পেয়েছেন রাহুল দাস।
রোববার (২৭ সেপ্টেম্বর) হবিগঞ্জ জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিস থেকে জারি করা আদেশে তাকে নিয়োগপত্র দেওয়া হয়েছে। এতে খুশির বন্যা বইছে রাহুল দাস, তার পরিবার ও শুভাকাঙ্ক্ষীদের মধ্যে।
রাহুল দাসের বাড়ি সিলেট জেলার বানিয়াচংয়ে। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক শিক্ষার্থী তিনি। বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়াশোনা শেষে এলাকায় দীর্ঘদিন ছিলেন রাহুল।
গত ২৪ সেপ্টেম্বর জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিস থেকে জারি করা আদেশে রাহুল দাসের নাম ছিল না। এ নিয়ে হতাশ হয়ে ফেসবুকে পোস্ট দেন তিনি।
তাতে রাহুল লেখেন, ‘যে মুখ দিয়ে মাকে বলছিলাম মা প্রাইমারিতে চাকরি হয়ে গেছে, সেই মুখ দিয়ে এখন মাকে কীভাবে বলবো যে, মা ভেরিফিকেশনে আমাকে আটকাই দিছে।’
এদিকে, শুধু রাহুল দা নয়, বিভিন্ন জেলায় বাদ পড়া সুপারিশপ্রাপ্ত প্রার্থীদের রোববার (২৭ সেপ্টেম্বর) নিয়োগপত্র দিয়েছে স্ব স্ব জেলা শিক্ষা অফিস।
কয়েকটি জেলা অফিস সূত্র জানিয়েছে, প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের নির্দেশনায় বাদ পড়া প্রার্থীদের বড় একটি অংশের নামে নিয়োগপত্রের আদেশ জারি করা হয়েছে। এরপরও কিছু প্রার্থী বাদ পড়েছেন।
মতামত