‘ধর্ম যার যার, বাংলাদেশ সবার’—এই মূলনীতিকে পাথেয় করে অসাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি রক্ষা এবং সনাতন ধর্মাবলম্বীসহ সব নাগরিকের সমান ধর্মীয় ও মানবিক অধিকার নিশ্চিত করার জোরালো প্রত্যয় ব্যক্ত করা হয়েছে। আসন্ন শারদীয় দুর্গাপূজাকে কেন্দ্র করে কোনো ধরনের ধর্মীয় উসকানি, চক্রান্ত কিংবা পূজা-অর্চনায় প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করে দেশের শান্ত পরিবেশ ও অসাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি বিনষ্টের চেষ্টা করা হলে অপরাধীদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনি ব্যবস্থা নেওয়ার স্পষ্ট হুঁশিয়ারি দেওয়া হয়েছে। পঞ্চগড় জেলার বোদা ও দেবীগঞ্জ উপজেলায় আসন্ন দুর্গোৎসব সুষ্ঠু ও আনন্দমুখর পরিবেশে উদযাপনের লক্ষ্যে আয়োজিত পৃথক জিআর চালের ডিও বিতরণ কর্মসূচিতে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এই বার্তা প্রদান করা হয়। সকল জাতির মানবাধিকার ও ধর্মীয় স্বাধীনতার ওপর গুরুত্ব দিয়ে উল্লেখ করা হয় যে, বর্তমান বাংলাদেশে সব ধর্মের মানুষের সমান অধিকার নিয়ে কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে বসবাস করার পরিবেশ নিশ্চিত করা সরকারের অন্যতম প্রধান লক্ষ্য। অসাম্প্রদায়িক বাংলাদেশ গড়ার এই ধারাবাহিকতায় পূজা উদযাপনে যেকোনো অপচেষ্টা রুখে দিতে পুলিশ ও স্থানীয় প্রশাসনের পাশাপাশি বিশেষ স্বেচ্ছাসেবী টিমও মাঠে তৎপর থাকবে। (News copied from- 'হিন্দুস নিউজ') পঞ্চগড়ের সার্বিক নিরাপত্তা পরিস্থিতি বজায় রাখার বিষয়ে আশ্বস্ত করে জানান হয়, পূজা মণ্ডপগুলোর সার্বিক সুরক্ষায় আট হাজার স্বেচ্ছাসেবী কাজ করবেন, যারা দিনরাত সনাতন ধর্মাবলম্বীদের ধর্মীয় উৎসব উদযাপনে প্রশাসনিক সহায়তার পাশাপাশি নিরাপত্তা ছাতা হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন। বোদা উপজেলার ৯৬টি এবং দেবীগঞ্জ উপজেলার ১১৭টি পূজামণ্ডপের পরিচালনা কমিটির সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদকদের হাতে সরকারি সহায়তার জিআর চালের ডিও আনুষ্ঠানিকভাবে তুলে দেওয়া হয়। স্থানীয় রাজনৈতিক ও প্রশাসনিক কর্মকর্তা এবং হিন্দু বৌদ্ধ খ্রিস্টান কল্যাণ ফ্রন্টের প্রতিনিধিরা এই আয়োজনে উপস্থিত থেকে সনাতন সম্প্রদায়ের অধিকার ও সার্বিক নিরাপত্তায় ঐক্যবদ্ধ থাকার কথা পুনর্ব্যক্ত করেন।
দুর্গাপূজায় বাধা দিলে কঠোর ব্যবস্থা, হুঁশিয়ারি পানিসম্পদ প্রতিমন্ত্রীর
বিষয় : দূর্গাপূজা হিন্দু সরকার
মতামত