পৌরাণিক কাহিনী অনুযায়ী, রামচন্দ্র রাবণ বধের পূর্বে দেবীকে সন্তুষ্ট করতে অকালে ‘অকাল বোধন’ করেছিলেন। তবে বাসন্তী পূজাকে দেবীর মূল বা প্রাকৃতিক পূজার সময় হিসেবে ধরা হয়, যেখানে বোধনের প্রয়োজন হয় না।
ইতিহাস থেকে জানা যায়, রাজা সুরথ ও বৈশ্য সমাধি ঋষি মেধসের পরামর্শে বসন্তকালে প্রথম দেবী পূজার সূচনা করেন। সেই ধারাবাহিকতায় আজও বিভিন্ন স্থানে এই পূজা অনুষ্ঠিত হয়ে আসছে।
উৎসবের অংশ হিসেবে ভক্তদের মধ্যে ‘বাসন্তী পোলাও’সহ বিভিন্ন ভোগ নিবেদন করা হয়। পাশাপাশি ভারতের বিভিন্ন অঞ্চলে এই সময় চৈত্র নবরাত্রি হিসেবে নয় দিনব্যাপী দেবীর বিভিন্ন রূপের পূজা পালিত হয়।
বাংলাদেশের নারায়ণগঞ্জ জেলার লাঙ্গলবন্দ এলাকায় ব্রহ্মপুত্র নদ তীরে মহাষ্টমী পুণ্যস্নানকে কেন্দ্র করে দুইদিনব্যাপী ধর্মীয় উৎসব আয়োজন করা হয়, যেখানে হাজারো ভক্তের সমাগম ঘটে।
যদিও বর্তমানে শারদীয় দুর্গাপূজার জাঁকজমক বেশি, তবুও দেশের বিভিন্ন বনেদি বাড়ি ও মন্দিরে এখনও ঐতিহ্য মেনে বাসন্তী পূজা পালিত হচ্ছে।
জ্যোতিষশাস্ত্র মতে, ২০২৬ সালে দেবীর আগমন ও গমন উভয়ই ‘ঘোটক’ বা ঘোড়ায় হওয়ায় এটি অশান্তি বা সংঘাতের প্রতীক হতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে।
মতামত