কিন্তু বাস্তবতা হলো, কিছু মন্দির সেই টাকা পেলেও অনেক মন্দির এখনো জানেই না তাদের নামে কোনো বরাদ্দ হয়েছিল। প্রশ্ন হলো—বাকি টাকাগুলো কোথায় গেল?
দুঃখজনকভাবে, সংশ্লিষ্ট কিছু কমিটি এই বিষয়টি কখনো স্বীকারও করে না। কারণ স্বীকার করলে হিসাব দিতে হবে।
আমাদের নিজেদের ভেতরের সমস্যাগুলো আগে ঠিক করা জরুরি। কাকে নেতা বানাচ্ছি, সেটা ভেবে দেখা উচিত। না হলে এ ধরনের অনিয়ম চলতেই থাকবে।
আমি নিজে ব্যক্তিগতভাবে জানি—আমার পরিচিত দুইটি মন্দির এই কমিটিগুলোর মাধ্যমে টাকা পেয়েছে, কিন্তু সেখানেও বিভিন্নভাবে কাটছাঁট করা হয়েছে।
পুতুল ঘোষ
যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক, ঢাকেশ্বরী মাতৃসেবা সংঘ
মতামত