বাংলাদেশের ২৩তম রাষ্ট্রপতি হিসেবে নির্বাচিত হওয়ায় জনাব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর মহোদয়কে সনাতনী সম্প্রদায়ের পক্ষ থেকে আন্তরিক শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানানো হয়েছে। দেশের রাজনৈতিক অঙ্গনে তিনি একজন অভিজ্ঞ, প্রজ্ঞাবান ও সংযমী নেতা হিসেবে সুপরিচিত। রাজনৈতিক প্রতিহিংসা, হয়রানিমূলক মামলা এবং কারাবরণের নির্মম অভিজ্ঞতা তার নিজের জীবনেও রয়েছে। তাই একজন নিরপরাধ মানুষের বিরুদ্ধে অন্যায়ভাবে মামলা, কারাবন্দিত্ব এবং তার পরিবারের ওপর নেমে আসা দুর্ভোগের যন্ত্রণা রাষ্ট্রপতি মহোদয়ের অজানা নয়।
বর্তমানে চিন্ময় প্রভু কারাগারে বন্দী রয়েছেন। সনাতনী সম্প্রদায়ের মতে, তার বিরুদ্ধে দায়ের করা মামলা সম্পূর্ণ অন্যায়, ভিত্তিহীন ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত। একজন ধর্মীয় ব্যক্তিত্বকে তার বিশ্বাস ও মতপ্রকাশের কারণে হয়রানি করা কিংবা ন্যায়বিচার থেকে বঞ্চিত করা কোনো সভ্য রাষ্ট্রের জন্যই গৌরবের নয়। রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর ব্যক্তিগতভাবে চিন্ময় প্রভুকে চেনেন এবং তার চরিত্র ও কর্মকাণ্ড সম্পর্কে অবগত আছেন। তাই এই সংকটময় সময়ে তার কাছ থেকে মানবিক ও ন্যায়সঙ্গত ভূমিকার প্রত্যাশা করছে সনাতনী সমাজ। (News copied from- 'হিন্দুস নিউজ')
সনাতনীরা কোনো প্রতিহিংসা নয়, বরং ন্যায়বিচার চায়। হয়রানি নয়, আইনের শাসন এবং অন্যায় কারাবন্দিত্বের অবসান চায়। একজন নিরপরাধ মানুষের সম্মানজনক মুক্তি আজ সময়ের দাবি। মহামান্য রাষ্ট্রপতির মানবিক হস্তক্ষেপে নিরপরাধ চিন্ময় প্রভুর দ্রুত মুক্তির পথ সুগম হবে—এটাই আজ বাংলাদেশের সমগ্র সনাতনী সমাজের আন্তরিক প্রত্যাশা। সনাতনীরা রাষ্ট্রপতি মহোদয়ের কাছে তীব্র অনুরোধ জানাচ্ছে যেন চিন্ময় প্রভুকে সসম্মানে মুক্তি দেওয়া হয়, যার বিনিময়ে এই সম্প্রদায় চিরকৃতজ্ঞ থাকবে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রচারিত একটি ছবিতে পূর্বে চিন্ময় প্রভু ও মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের সৌজন্য সাক্ষাৎ এবং হাস্যোজ্বল উপস্থিতি দেখা গেছে, যা তাদের সুসম্পর্ক ও ধর্মীয় সম্প্রীতির প্রতীক হিসেবে গণ্য হচ্ছে।
মতামত