অবৈধ অস্ত্রের বিস্তার ও মাদকের কারবার মূলত সাধারণ নাগরিকদের জীবন ও নিরাপত্তা বিঘ্নিত করে, যা দেশের সকল জাতি ও সম্প্রদায়ের স্বাভাবিক মানবাধিকার সুরক্ষার ক্ষেত্রে বড় অন্তরায়। (News copied from- 'হিন্দুস নিউজ') এ কারণে গোয়েন্দা সংস্থাসমূহের সংগৃহীত তথ্যের ভিত্তিতে বিশেষ কৌশলগত ছক এঁকে মাঠে নামছে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী। স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী জানিয়েছেন, অপরাধ দমনে কিছু বিশেষ গোপনীয় কৌশল গ্রহণ করা হয়েছে যা প্রকাশ্যে না আনা হলেও মাঠপর্যায়ে এর কার্যকর প্রয়োগ শীঘ্রই দৃশ্যমান হবে এবং অপরাধীদের দৌরাত্ম্য বন্ধে অভিযান আরও জোরদার করা হবে।
দেশেজুড়ে শুরু হচ্ছে বিশেষ যৌথ অভিযান
সন্ত্রাস, চাঁদাবাজি, মাদক চোরাচালান এবং অন্যায্য অবৈধ ও লুণ্ঠিত অস্ত্র উদ্ধারে এবার দেশজুড়ে শুরু হতে যাচ্ছে জোরালো ও বিশেষ অভিযান। সম্প্রতি রাজারবাগ পুলিশ অডিটোরিয়ামে আয়োজিত ‘ত্রৈমাসিক অপরাধ পর্যালোচনা সভা’ শেষে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে এসংক্রান্ত কঠোর নির্দেশনার কথা নিশ্চিত করেছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ। দেশজুড়ে সর্বস্তরের মানুষের নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণ ও মানবাধিকার রক্ষার অংশ হিসেবে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে বিশেষ দিকনির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। অপরাধ দমনে পুলিশের জবাবদিহি ও দায়বদ্ধতার বিষয়টি জোর দিয়ে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী স্পষ্ট জানিয়ে দেন যে, সন্ত্রাসী, মাদক কারবারি ও চাঁদাবাজদের বিরুদ্ধে কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণ করতে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের জন্য নির্দিষ্ট সময়সীমা বেঁধে দেওয়া হয়েছে এবং নির্ধারিত সময়ে প্রত্যাশিত অগ্রগতি দৃশ্যমান না হলে দায়ী কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে নেওয়া হবে কঠোর ব্যবস্থা।
0.0%
0.0%
0.0%
0.0%
মতামত