ঠাকুরগাঁও সদর উপজেলার আর্ট গ্যালারি খালপাড়া গ্রামের বাসিন্দা রিতা রানী দাস। তার স্বামী মহাদেব দাশ একজন বাকপ্রতিবন্ধী। স্থানীয় বাজারে অন্যের হয়ে মাছ কাটার কাজ করে যে সামান্য আয় হয়, তা দিয়েই ছয় সদস্যের পরিবার চলত। নিজেদের কোনো স্থায়ী বাসস্থান না থাকায় বর্তমানে পরিবারটি অন্যের বাড়ির বারান্দায় আশ্রয় নিয়ে মানবেতর জীবনযাপন করছে।
চিকিৎসা সূত্রে জানা গেছে, রিতা রানীর শরীরে ক্যান্সার শনাক্ত হওয়ার পর চিকিৎসকরা মোট ১১টি কেমোথেরাপি দেওয়ার পরামর্শ দেন। পরিবারের শেষ সম্বল বিক্রি ও ধারদেনা করে ইতোমধ্যে ৫টি কেমোথেরাপি সম্পন্ন করা হলেও অর্থাভাবে বাকি ৬টি কেমোথেরাপি এবং প্রয়োজনীয় ওষুধ কেনা সম্ভব হয়নি। ফলে বর্তমানে তিনি বিনাচিকিৎসায় চরম যন্ত্রণায় দিন কাটাচ্ছেন।
রিতা রানী ও মহাদেব দাশ দম্পতির চারটি সন্তান—তিন ছেলে ও এক মেয়ে। মায়ের অসুস্থতা ও বাবার প্রতিবন্ধকতার কারণে পরিবারটি এখন চরম খাদ্য ও অর্থ সংকটে পড়েছে। রিতা রানী কান্নাজড়িত কণ্ঠে বলেন, তিনি সন্তানদের মুখের দিকে তাকিয়ে আরও কিছুদিন বাঁচতে চান।
পরিবার ও স্থানীয়রা জানান, রিতা রানীর বাকি কেমোথেরাপি, ওষুধ ও পরবর্তী চিকিৎসা ব্যয়ের জন্য জরুরি ভিত্তিতে বিপুল অর্থ প্রয়োজন। এ পরিস্থিতিতে তার জীবন বাঁচাতে সমাজের বিত্তবান ব্যক্তি, মানবিক সংগঠন, প্রবাসী ভাই-বোন এবং হৃদয়বান মানুষের সার্বিক সহযোগিতা কামনা করা হয়েছে। সহায়তা করতে ইচ্ছুক ব্যক্তিরা সরাসরি রিতা রানীর পরিবারের সঙ্গে যোগাযোগ করতে পারেন। যোগাযোগ নম্বর: ০১৭৮৫৪৫৩৬০৪।
মতামত