প্রায় ৫০০ বছরের পুরনো এই মন্দিরটি আমাদের মধ্যযুগের বাংলা সাহিত্য ও সংস্কৃতির এক অনন্য সাক্ষী। ১৪৯৪ সালে বিজয় গুপ্ত এখানেই তাঁর অমর কাব্য 'মনসামঙ্গল' বা 'পদ্মপুরাণ' রচনা করেন। জনশ্রুতি আছে, দেবী মনসার স্বপ্নাদেশ পেয়ে তিনি বাড়ির সামনের দিঘি (মনসাকুণ্ড) থেকে পূজার ঘট তুলে মন্দিরটি প্রতিষ্ঠা করেন এবং দিঘির পাড়ে বকুলতলায় বসে কাব্যটি লেখেন। এই অনবদ্য সৃষ্টির জন্য সুলতান আলাউদ্দিন হোসেন শাহ তাঁকে 'মহাকবি' উপাধি দেন। এই কাব্যের মাধ্যমেই সতী বেহুলা ও লখিন্দরের কাহিনী আজও গ্রামবাংলায় টিকে আছে। ঐতিহাসিক এই তীর্থস্থান পরিদর্শন শেষে দুই গুণী শিল্পী তাঁদের মুগ্ধতা ও ভক্তি প্রকাশ করেন।
চঞ্চল চৌধুরী তাঁর অনুভূতি ব্যক্ত করে বলেন, "কবি বিজয় গুপ্তের মা মনসা মন্দির দর্শন করতে পেরে নিজেকে ধন্য মনে করছি। এরকম একটি ধর্মীয় উপাসনালয় কবি বিজয় গুপ্তের স্মৃতিধন্য। মা মনসা সকলের মঙ্গল করুন। অনেক শান্তি পেলাম এই স্মৃতিধন্য মন্দিরে এসে।"
জয়া আহসান জানান, "বাংলা সাহিত্যের অমর কীর্তি মনসা কাব্য পাঠ এবং এমন ঐতিহাসিক স্থান দর্শন আমার স্মৃতিতে স্মরণীয় হয়ে থাকবে।"
মতামত