আয়োজক সূত্রে জানা গেছে, ধর্মীয় ভাবগাম্ভীর্য ও আধ্যাত্মিক পরিবেশে দিনব্যাপী নানা পূজা-অর্চনা, প্রার্থনা, গীতাযজ্ঞ ও কীর্তনের মাধ্যমে বিশ্বশান্তি ও মানবকল্যাণ কামনা করা হবে। ভোরের পবিত্র ব্রাহ্মমুহূর্তে মঙ্গল প্রদীপ প্রজ্জ্বলন ও সমবেত প্রার্থনার মধ্য দিয়ে অনুষ্ঠানের সূচনা হবে, যা ভক্তদের জন্য এক বিশেষ আধ্যাত্মিক অনুভূতি এনে দেবে।
সকাল ৯টা ৩০ মিনিটে শুরু হবে বিশ্বশান্তি গীতাযজ্ঞের মূল আনুষ্ঠানিকতা। এতে প্রধান আচার্য হিসেবে উপস্থিত থাকবেন জ্যোতিশ্বর বেদান্ত মঠ ও মিশনের প্রতিষ্ঠাতা অধ্যক্ষ শ্রীমৎ স্বামী অভেদানন্দ গিরি মহারাজ। তাঁর ধর্মীয় বক্তব্য ও আচার-অনুষ্ঠান পরিচালনার মাধ্যমে ভক্তরা আধ্যাত্মিক দীক্ষা ও
প্রেরণা লাভ করবেন বলে আয়োজকরা আশা প্রকাশ করেছেন।


দুপুর ১২টা ০১ মিনিটে অনুষ্ঠিত হবে ভোগরাগ নিবেদন, যেখানে ভক্তরা ভক্তিভরে প্রসাদ অর্পণ করবেন। পরবর্তীতে স্থানীয় কীর্তনীয়াবৃন্দের পরিবেশনায় ভক্তিমূলক নামসংকীর্তন পরিবেশিত হবে, যা অনুষ্ঠানস্থলে এক অপূর্ব ভক্তিময় পরিবেশ সৃষ্টি করবে।
দুপুর ১টা ০১ মিনিটে আনন্দবাজারে মহাপ্রসাদ বিতরণের আয়োজন রাখা হয়েছে। এতে অংশগ্রহণকারী সকল ভক্ত ও দর্শনার্থীদের মাঝে প্রসাদ বিতরণ করা হবে, যা সাম্য, ভ্রাতৃত্ব ও ধর্মীয় ঐক্যের এক অনন্য নিদর্শন হিসেবে বিবেচিত।
বিকাল ৫টা ০১ মিনিটে বিশ্বশান্তি গীতাযজ্ঞের পূর্ণাহুতি প্রদান করা হবে। পূর্ণাহুতির মাধ্যমে দিনব্যাপী এই ধর্মীয় মহোৎসবের আনুষ্ঠানিক সমাপ্তি ঘোষণা করা হবে।
আয়োজক কমিটি জানিয়েছে, এ ধরনের ধর্মীয় আয়োজন সমাজে নৈতিক মূল্যবোধ জাগ্রত করতে এবং মানুষের মধ্যে শান্তি, সম্প্রীতি ও ভ্রাতৃত্ববোধ প্রতিষ্ঠায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। তারা সকল ভক্ত, শুভানুধ্যায়ী ও ধর্মপ্রাণ মানুষকে উক্ত মহোৎসবে অংশগ্রহণের জন্য আন্তরিক আমন্ত্রণ জানিয়েছেন।
মতামত