শনিবার (৪ এপ্রিল) মাগুরা জেলার মহম্মদপুরে আধুনিক মানের জেলা ডাকবাংলোর ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
মন্ত্রী জানান, মঙ্গল শোভাযাত্রা এবং আনন্দ শোভাযাত্রার মধ্যে আসলে কোনো পার্থক্য নেই। এটি মূলত বাঙালির নববর্ষ উদযাপনেরই একটি অংশ। তাই সবার কাছে সহজ ও গ্রহণযোগ্য করার জন্য ‘বৈশাখী শোভাযাত্রা’ নামটি ব্যবহার করা হবে।
তিনি আরও বলেন, বাংলা নববর্ষ শুধু একটি উৎসব নয়, এটি বাঙালির দীর্ঘদিনের সাংস্কৃতিক ঐতিহ্যের অংশ। এই উৎসব কোনো নির্দিষ্ট দল বা গোষ্ঠীর নয়; কৃষক থেকে শুরু করে সাধারণ মানুষ—সবাই মিলেই এই আনন্দ উদযাপন করে। নববর্ষ বাঙালির মিলনমেলার একটি বড় উপলক্ষ।
অনুষ্ঠানে জেলা পরিষদ প্রশাসক আলিয়া আহমেদ সভাপতিত্ব করেন। এ সময় আরও উপস্থিত ছিলেন মাগুরা-১ আসনের সংসদ সদস্য মনোয়ার হোসেন খান, জেলা প্রশাসক আব্দুল্লাহ আল মাহমুদ এবং পুলিশ সুপার মোল্লা আজাদসহ স্থানীয় প্রশাসনের কর্মকর্তারা।
এই ঘোষণার মাধ্যমে নববর্ষের ঐতিহ্যবাহী শোভাযাত্রা নতুন একটি নাম পেল, যা ভবিষ্যতে সারাদেশে ‘বৈশাখী শোভাযাত্রা’ হিসেবে পরিচিত হবে।
মতামত