স্থানীয়দের কাছে এই মন্দির শুধু একটি উপাসনালয় নয়, বরং এটি এক ঐতিহ্যের প্রতীক ও আস্থার কেন্দ্র। শতবর্ষের ইতিহাস বুকে ধারণ করে দাঁড়িয়ে থাকা এই জাগ্রত মন্দিরে প্রতি বছরই ধুমধাম করে পালিত হয় রক্ষা কালী মাতার পুজো, যা আশপাশের এলাকাসহ দূর-দূরান্তের ভক্তদের আকর্ষণের কেন্দ্রবিন্দু হয়ে উঠেছে।
পূজার দিন সকাল থেকেই মন্দির প্রাঙ্গণে ভক্তদের ঢল নামে। ধূপ, ধুনো, প্রদীপের আলো এবং মন্ত্রোচ্চারণে এক পবিত্র ও মনোমুগ্ধকর পরিবেশের সৃষ্টি হয়। মায়ের আরাধনা, পূজা-অর্চনা, হোমযজ্ঞ, প্রসাদ বিতরণ এবং ভক্তিমূলক সংগীত পরিবেশনার মাধ্যমে দিনব্যাপী চলে ধর্মীয় অনুষ্ঠানমালা।
বিশেষ করে সন্ধ্যার পর মন্দির প্রাঙ্গণ হয়ে ওঠে আরও আলোকিত ও প্রাণবন্ত। নানা আলোকসজ্জা, শঙ্খধ্বনি ও কীর্তনের সুরে ভরে ওঠে চারপাশ। নারী-পুরুষ, শিশু-কিশোরসহ সকল শ্রেণি-পেশার মানুষের অংশগ্রহণে পূজাটি পরিণত হয় এক বৃহৎ ধর্মীয় মিলনমেলায়।
মন্দির কমিটির পক্ষ থেকে জানানো হয়, “এই জাগ্রত মন্দিরের ঐতিহ্য ও মর্যাদা রক্ষা করে প্রতি বছর আমরা সর্বোচ্চ চেষ্টা করি সুন্দরভাবে পূজা আয়োজন করতে। ভক্তদের আন্তরিক সহযোগিতা ও ভালোবাসাই আমাদের সবচেয়ে বড় শক্তি।”
স্থানীয় ভক্তরা জানান, এই মন্দিরে পূজা দিলে মনের আশা পূরণ হয়—এমন বিশ্বাস বহুদিনের। তাই প্রতিবছরই এখানে ভক্তদের উপস্থিতি বাড়ছে, যা এই পুজোর গুরুত্ব ও জনপ্রিয়তারই প্রমাণ বহন করে।
ধর্মীয় ভাবগাম্ভীর্য, ঐতিহ্য ও সম্প্রীতির এক অনন্য দৃষ্টান্ত হিসেবে এবারের শ্রী শ্রী রক্ষা কালী মাতার পুজো ২০২৬ ইতোমধ্যেই সকলের মাঝে গভীর প্রভাব ফেলেছে।
মতামত