এই সিদ্ধান্তের যৌক্তিকতা তুলে ধরে যমুনোত্রী মন্দির কমিটির মুখপাত্র পুরুষোত্তম উনিয়াল স্পষ্ট করেছেন যে, সনাতন ধর্মে পঞ্চগব্য ব্যতীত কোনো ধর্মীয় আচারই পূর্ণতা পায় না। তিনি উদ্বেগ প্রকাশ করে বলেন যে, সাম্প্রতিক সময়ে এমন অনেক মানুষের সমাগম ঘটছে যাদের এই ধর্মের প্রতি ন্যূনতম অনুরাগ নেই। ফলে শুধুমাত্র প্রকৃত ঐতিহ্য অনুসারীদের প্রবেশ নিশ্চিত করতেই এই আধ্যাত্মিক পরিশুদ্ধির ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে।
উল্লেখ্য যে, গত শুক্রবার অক্ষয় তৃতীয়ার পুণ্য তিথিতে বৈদিক মন্ত্রোচ্চারণের মধ্য দিয়ে এই বছরের চারধাম যাত্রা শুরু হয়েছে। এর আগে ১১ মার্চ শ্রী বদ্রীনাথ-কেদারনাথ মন্দির কমিটিও অ-হিন্দুদের প্রবেশ নিষিদ্ধ করার প্রস্তাব পাশ করেছে। কমিটির চেয়ারম্যান হেমন্ত দ্বিবেদীর মতে, দেবভূমির পবিত্র তীর্থস্থানগুলোর মৌলিক চরিত্র ও পবিত্রতা বজায় রাখতেই এই কঠোর পদক্ষেপগুলো সময়ের দাবি। একদিকে যমুনোত্রী ও গঙ্গোত্রী কমিটি যখন পঞ্চগব্যের বিধান দিচ্ছে, অন্যদিকে বদ্রীনাথ-কেদারনাথ কমিটি দর্শনার্থীদের কাছ থেকে ধর্মীয় বিশ্বাসের হলফনামা সংগ্রহের নিয়ম চালু করেছে। হিন্দু ধর্মাবলম্বীদের কাছে পরম পবিত্র এই চারধামকে কলুষমুক্ত রাখতে মন্দির কর্তৃপক্ষের এমন অনমনীয় অবস্থান ভারতজুড়ে সনাতনী মহলে ব্যাপক প্রশংসিত হচ্ছে।
মতামত