স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, চোরেরা মন্দির থেকে মায়ের পিতলের ঘট, মায়ের কানের সোনার দুল, দানবাক্স, পূজার কাজে ব্যবহৃত তামা-পিতলের সামগ্রী এবং নারায়ণের শালগ্রাম শিলা নিয়ে যায়। আজ সকালে মন্দিরে এসে ভাঙা গ্রিল ও এলোমেলো অবস্থা দেখে বিষয়টি জানতে পারেন স্থানীয়রা।
এ ঘটনায় হাবিলাসদ্বীপ কাত্যায়নী সংঘ তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছে। সংগঠনের নেতারা বলেন, এর আগেও গ্রামের বিভিন্ন ধর্মীয় মন্দিরে চুরির ঘটনা ঘটেছে। ধারাবাহিক এসব ঘটনায় সাধারণ মানুষের মধ্যে আতঙ্ক বিরাজ করছে।
স্থানীয়রা জানায় ধর্মীয় উপাসনালয়ে একের পর এক চুরির ঘটনা ঘটলেও এখন পর্যন্ত কার্যকর কোনো ব্যবস্থা চোখে পড়ছে না। তারা দ্রুত চোরদের শনাক্ত করে আইনের আওতায় আনার দাবি জানিয়েছেন।
গ্রামবাসী প্রশাসনের কাছে এ ধরনের অপরাধমূলক কর্মকাণ্ড বন্ধে জরুরি পদক্ষেপ গ্রহণ এবং এলাকায় নিরাপত্তা জোরদারের দাবি জানিয়েছেন।
মতামত