গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশে ভারতের নতুন হাইকমিশনার হিসেবে নিযুক্ত হয়েছেন বিশিষ্ট কূটনীতিবিদ দীনেশ ত্রিবেদী। গতক ৫ জুন ২০২৬, শুক্রবার ভারতের নয়াদিল্লিতে অবস্থিত রাষ্ট্রপতি ভবনে এক মর্যাদাপূর্ণ অনুষ্ঠানে ভারতের মাননীয় রাষ্ট্রপতি শ্রীমতি দ্রৌপদী মুর্মু নবনিযুক্ত হাইকমিশনার দীনেশ ত্রিবেদীর হাতে আনুষ্ঠানিকভাবে নিয়োগপত্র বা 'লেটারস্ অব ক্রিডেন্স' তুলে দেন। ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের এক বিজ্ঞপ্তিতে এই তথ্য নিশ্চিত করা হয়েছে। অত্যন্ত অভিজ্ঞ ও দূরদর্শী এই কূটনীতিক খুব শীঘ্রই ঢাকায় এসে তাঁর কূটনৈতিক দায়িত্বভার গ্রহণ করবেন।
বাংলাদেশের বর্তমান ভূরাজনৈতিক পরিস্থিতি, আঞ্চলিক স্থিতিশীলতা এবং বিশেষ করে এদেশের সংখ্যালঘু সনাতনী সমাজসহ সকল জাতির মানবাধিকার রক্ষার ক্ষেত্রে এই নিয়োগকে অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ বলে মনে করছেন আন্তর্জাতিক রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা। বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যকার ঐতিহাসিক, সাংস্কৃতিক ও ধর্মীয় মেলবন্ধনের সুদীর্ঘ ইতিহাস রয়েছে। ভারতের মহামান্য রাষ্ট্রপতি শ্রীমতি দ্রৌপদী মুর্মুর কাছ থেকে এই দায়িত্বভার গ্রহণ করার মাধ্যমে নতুন হাইকমিশনারের ওপর দুই দেশের সম্পর্ককে এক নতুন উচ্চতায় নিয়ে যাওয়ার বড় দায়িত্ব অর্পিত হলো। বিশেষ করে বাংলাদেশের সনাতনী সমাজ যখন নানামুখী চ্যালেঞ্জ ও অধিকার আদায়ের সংগ্রামের মধ্য দিয়ে যাচ্ছে, তখন ভারতের পক্ষ থেকে নতুন শীর্ষ কূটনীতিকের এই আগমন অত্যন্ত ইতিবাচক বার্তা বহন করে।
আমাদের সংবাদমাধ্যম "HINDUS NEWS" সবসময়ই নিপীড়িত মানুষের মানবাধিকার এবং সনাতনীদের ন্যায্য অধিকারের পক্ষে কথা বলে আসছে। আমরা আশা করি, নবনিযুক্ত হাইকমিশনার দীনেশ ত্রিবেদী দুই দেশের মধ্যকার অর্থনৈতিক ও বাণিজ্যিক সম্পর্ক জোরদার করার পাশাপাশি বাংলাদেশে বসবাসরত সনাতনীদের সার্বিক নিরাপত্তা, ধর্মীয় স্বাধীনতা এবং মানবাধিকার সমুন্নত রাখার বিষয়ে অত্যন্ত আন্তরিক ও কার্যকর ভূমিকা পালন করবেন।
ভারতের ঐতিহ্যগত ও সাংস্কৃতিক বন্ধুত্বের জায়গা থেকে তিনি বাংলাদেশের সকল নাগরিকের মানবিক অধিকার, ধর্মীয় উপাসনালয়ের সুরক্ষা এবং আঞ্চলিক সম্প্রীতি রক্ষায় বরাবরের মতোই সুদৃঢ় ও আপসহীন অবস্থান বজায় রাখবেন বলে সনাতনী বিশ্ব গভীরভাবে বিশ্বাস করে।
মতামত