শনিবার, ২৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০ আশ্বিন ১৪৩৩
হিন্দুস নিউজ
Hindus News Voice of Hinduism
আপনার পণ্য ও প্রতিষ্ঠানের বিজ্ঞাপন দিন Hindus News এ।

শ্বাসরুদ্ধকর ম্যাচে দীর্ঘ ১১ বছর পর পাকিস্তানকে হারিয়ে সিরিজ জয় বাংলাদেশের


| প্রিন্ট সংস্করণ

শ্বাসরুদ্ধকর ম্যাচে দীর্ঘ ১১ বছর পর পাকিস্তানকে হারিয়ে সিরিজ জয় বাংলাদেশের
Hindus News Voice of Hinduism
আপনার পণ্য ও প্রতিষ্ঠানের বিজ্ঞাপন দিন Hindus News এ।
পাকিস্তানের বিপক্ষে শ্বাসরুদ্ধকর লড়াইয়ে ১১ রানের জয়ে ২-১ ব্যবধানে ওয়ানডে সিরিজ জিতল বাংলাদেশ ক্রিকেট দল।

দুর্দান্ত ব্যাটিংয়ের পরও শেষ দিকে ক্যালকুলেটিভ ক্রিকেট খেলতে না পারায় তীরে গিয়ে তরী ডুবায় পাকিস্তান।

রোববার প্রথমে ব্যাট করে ৫ উইকেটে ২৯০ রান করে বাংলাদেশ। টার্গেট তাড়ায় ২৭৯ রানে অলআউট হয় পাকিস্তান।

সিরিজ নির্ধারণী ওয়ানডেতে ৩০০ বলে ২৯১ রানের টার্গেট তাড়ায় ১৭ রানে ৩ উইকেট হারিয়ে বিপদে পড়ে যায় পাকিস্তান। এরপর আব্দুল সামাদ ও গাজী গৌরি চতুর্থ উইকেটে ৬৭ বলে ৫০ রানের জুটি গড়েন।

Hindus News Voice of Hinduism
আপনার পণ্য ও প্রতিষ্ঠানের বিজ্ঞাপন দিন Hindus News এ।

 একটা পর্যায়ে ৩ উইকেটে পাকিস্তানের সংগ্রহ ছিল ৬৭ রান। এরপর মাত্র ১৫ রানের ব্যবধানে গাজী গৌরি ও আব্দুল সামাদকে ১৫ রানের ব্যবধানে ফেরান নাহিদ রানা ও মোস্তাফিজুর রহমান। তখন আবারও চাপে পড়ে যায় পাকিস্তান। 

তবে ছয় নম্বর পজিশনে ব্যাটিংয়ে নেমে মিডলঅর্ডার এবং লোয়ারঅর্ডার ব্যাটসম্যানদের নিয়ে অবিশ্বাস্য লড়াই করেন সালমান আলি আগা। ষষ্ঠ উইকেটে এই ম্যাচে অভিষেক হওয়া তরুণ ব্যাটসম্যান সাদ মাকসুদের সাথে ৮২ বলে ৭৯ রানের জুটি গড়েন সালমান।

এরপর সপ্তম উইকেটে ফাহিম আশরাফের সঙ্গে ৪৯ বলে গড়েন ৪৮ রানের জুটি। অষ্টম উইকেটে সালমান আলি আগাকে সঙ্গ দেন পাকিস্তানের তারকা পেসার শাহিন শাহ আফ্রিদি। এই জুটিতে তারা ৪৯ বলে ৫২ রানের পার্টনারশিপ গড়েন।

জয়ের জন্য শেষ ১৫ বলে পাকিস্তানের প্রয়োজন ছিল ৩০ রান। খেলার এমন অবস্থায় তাসকিন আহমেদের বলে ছক্কা হাঁকাতে গিয়ে ক্যাচ তুলে দিয়ে ফেরেন সালমান আলি। তিনি ৯৮ বলে ৯টি চার আর ৪টি ছক্কায় ১০৬ রান করে দলকে জয়ের বন্দরে পৌঁছাতে না পারার হতাশা প্রকাশ করে হয়ে মাঠ থেকে সাজঘরে ফেরেন।

সালমান আউট হওয়ার পর ১৪ বলে পাকিস্তানের দরকার ছিল ৩০ রান। ইনিংসের ৪৯তম ওভারে দুই ছক্কা হাঁকিয়ে ১৫ রান আদায় করে নেন শাহিন শাহ আফ্রিদি। তবে মোস্তাফিজের করা ওভারের শেষ বলে ক্যাচ তুলে দিয়ে ফেরেন হারিস রউফ।

জয়ের জন্য শেষ ৬ বলে পাকিস্তানের প্রয়োজন ছিল মাত্র ১৪ রান। বাংলাদেশের প্রয়োজন ছিল মাত্র ১টি উইকেট। রিশাদ হোসেনের করা ওভারের প্রথম বল ডট। দ্বিতীয় বলে ক্যাচ তুলে দেন শাহিন আফ্রিদি। তবে ক্যাচ ফেলে দেন বোলার রিশাদ। 

জয়ের জন্য ৪ বলে দরকার ছিল ১৪ রান। তৃতীয় বলে ডাবল রান নেন শাহিন আফ্রিদি। শেষ ৩ বলে প্রয়োজন ছিল ১২ রান। চতুর্থ বল ডট। পঞ্চম ডেলিভারি ওয়াইড। ২ বলে দরকার ছিল ১১ রান। পাকিস্তান শেষ দুই বলে কোনো রান নিতে পারেনি। যে কারণে তীরে গিয়ে তরী ডুবায় পাকিস্তান। পাকিস্তান হেরে যাওয়ায় বিফলে যায় সালমান আলি আগার সেঞ্চুরি।

এদিন মিরপুর শেরেবাংলা জাতীয় ক্রিকেট স্টেডিয়ামে টস জিতে স্বাগতিকদের প্রথমে ব্যাটিংয়ে পাঠায় পাকিস্তান। প্রথমে ব্যাট করতে নেমে উড়ন্ত সূচনা করে টাইগাররা। বিনা উইকেটে দলীয় একশ রানের ঘরে পৌঁছায় স্বাগতিকরা।

দলীয় ১০৫ রানে শাহিন শাহ আফ্রিদির বলে বোল্ড হয়ে সাজঘরে ফেরেন সাইফ হাসান (৩৬)। তবে উইকেটের আরেক পাশে সাবলীলভাবে ব্যাট চালাতে থাকেন তানজিদ হাসান তামিম।

তামিমকে সঙ্গ দিতে থাকা নাজমুল হোসেন শান্ত (২৭) ফেরেন পাকিস্তানি পেসার হারিস রউফের ওভারে। এরপর লিটন দাসকে সঙ্গে নিয়ে এগোতে থাকেন তানজিদ।

অবশেষে ৩৩তম ওভারের শেষ বলে ছক্কা হাঁকিয়ে আন্তর্জাতিক ক্রিকেট ক্যারিয়ারের প্রথম সেঞ্চুরির দেখা পান তানজিদ তামিম। সেঞ্চুরির জন্য তিনি খরচ করেন ৯৮ বল, ৭টি ছক্কা এবং ৬টি চারের মারে সাজানো ছিল তার এই দারুণ ইনিংস। তবে সেঞ্চুরির পর নিজের ইনিংসটা লম্বা করতে পারেনি এই ওপেনার। ফেরেন ১০৭ বলে ১০৭ রান করেন। 

দলীয় ২৬২ রানে ফেরেন লিটন কুমার দাস। তিনি ৫১ বলে এক চার আর এক ছক্কায় ৪১ রান করে আউট হন। তবে পাঁচ নম্বর পজিশনে ব্যাটিংয়ে নেমে ইনিংসের শেষ বল পর্যন্ত খেলে যান তাওহীদ হৃদয়। তার ৪৪ বলের ৪৮ রানের ইনিংসের সুবাদে ২৯০ রান তুলতে সক্ষম হয় বাংলাদেশ।

0.0%
0.0%
0.0%
0.0%

মতামত

হিন্দুস নিউজ

শনিবার, ২৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬


শ্বাসরুদ্ধকর ম্যাচে দীর্ঘ ১১ বছর পর পাকিস্তানকে হারিয়ে সিরিজ জয় বাংলাদেশের

প্রকাশের তারিখ : ১৫ মার্চ ২০২৬

featured Image
পাকিস্তানের বিপক্ষে শ্বাসরুদ্ধকর লড়াইয়ে ১১ রানের জয়ে ২-১ ব্যবধানে ওয়ানডে সিরিজ জিতল বাংলাদেশ ক্রিকেট দল।

দুর্দান্ত ব্যাটিংয়ের পরও শেষ দিকে ক্যালকুলেটিভ ক্রিকেট খেলতে না পারায় তীরে গিয়ে তরী ডুবায় পাকিস্তান।

রোববার প্রথমে ব্যাট করে ৫ উইকেটে ২৯০ রান করে বাংলাদেশ। টার্গেট তাড়ায় ২৭৯ রানে অলআউট হয় পাকিস্তান।

সিরিজ নির্ধারণী ওয়ানডেতে ৩০০ বলে ২৯১ রানের টার্গেট তাড়ায় ১৭ রানে ৩ উইকেট হারিয়ে বিপদে পড়ে যায় পাকিস্তান। এরপর আব্দুল সামাদ ও গাজী গৌরি চতুর্থ উইকেটে ৬৭ বলে ৫০ রানের জুটি গড়েন।

 একটা পর্যায়ে ৩ উইকেটে পাকিস্তানের সংগ্রহ ছিল ৬৭ রান। এরপর মাত্র ১৫ রানের ব্যবধানে গাজী গৌরি ও আব্দুল সামাদকে ১৫ রানের ব্যবধানে ফেরান নাহিদ রানা ও মোস্তাফিজুর রহমান। তখন আবারও চাপে পড়ে যায় পাকিস্তান। 

তবে ছয় নম্বর পজিশনে ব্যাটিংয়ে নেমে মিডলঅর্ডার এবং লোয়ারঅর্ডার ব্যাটসম্যানদের নিয়ে অবিশ্বাস্য লড়াই করেন সালমান আলি আগা। ষষ্ঠ উইকেটে এই ম্যাচে অভিষেক হওয়া তরুণ ব্যাটসম্যান সাদ মাকসুদের সাথে ৮২ বলে ৭৯ রানের জুটি গড়েন সালমান।

এরপর সপ্তম উইকেটে ফাহিম আশরাফের সঙ্গে ৪৯ বলে গড়েন ৪৮ রানের জুটি। অষ্টম উইকেটে সালমান আলি আগাকে সঙ্গ দেন পাকিস্তানের তারকা পেসার শাহিন শাহ আফ্রিদি। এই জুটিতে তারা ৪৯ বলে ৫২ রানের পার্টনারশিপ গড়েন।

জয়ের জন্য শেষ ১৫ বলে পাকিস্তানের প্রয়োজন ছিল ৩০ রান। খেলার এমন অবস্থায় তাসকিন আহমেদের বলে ছক্কা হাঁকাতে গিয়ে ক্যাচ তুলে দিয়ে ফেরেন সালমান আলি। তিনি ৯৮ বলে ৯টি চার আর ৪টি ছক্কায় ১০৬ রান করে দলকে জয়ের বন্দরে পৌঁছাতে না পারার হতাশা প্রকাশ করে হয়ে মাঠ থেকে সাজঘরে ফেরেন।

সালমান আউট হওয়ার পর ১৪ বলে পাকিস্তানের দরকার ছিল ৩০ রান। ইনিংসের ৪৯তম ওভারে দুই ছক্কা হাঁকিয়ে ১৫ রান আদায় করে নেন শাহিন শাহ আফ্রিদি। তবে মোস্তাফিজের করা ওভারের শেষ বলে ক্যাচ তুলে দিয়ে ফেরেন হারিস রউফ।

জয়ের জন্য শেষ ৬ বলে পাকিস্তানের প্রয়োজন ছিল মাত্র ১৪ রান। বাংলাদেশের প্রয়োজন ছিল মাত্র ১টি উইকেট। রিশাদ হোসেনের করা ওভারের প্রথম বল ডট। দ্বিতীয় বলে ক্যাচ তুলে দেন শাহিন আফ্রিদি। তবে ক্যাচ ফেলে দেন বোলার রিশাদ। 

জয়ের জন্য ৪ বলে দরকার ছিল ১৪ রান। তৃতীয় বলে ডাবল রান নেন শাহিন আফ্রিদি। শেষ ৩ বলে প্রয়োজন ছিল ১২ রান। চতুর্থ বল ডট। পঞ্চম ডেলিভারি ওয়াইড। ২ বলে দরকার ছিল ১১ রান। পাকিস্তান শেষ দুই বলে কোনো রান নিতে পারেনি। যে কারণে তীরে গিয়ে তরী ডুবায় পাকিস্তান। পাকিস্তান হেরে যাওয়ায় বিফলে যায় সালমান আলি আগার সেঞ্চুরি।

এদিন মিরপুর শেরেবাংলা জাতীয় ক্রিকেট স্টেডিয়ামে টস জিতে স্বাগতিকদের প্রথমে ব্যাটিংয়ে পাঠায় পাকিস্তান। প্রথমে ব্যাট করতে নেমে উড়ন্ত সূচনা করে টাইগাররা। বিনা উইকেটে দলীয় একশ রানের ঘরে পৌঁছায় স্বাগতিকরা।

দলীয় ১০৫ রানে শাহিন শাহ আফ্রিদির বলে বোল্ড হয়ে সাজঘরে ফেরেন সাইফ হাসান (৩৬)। তবে উইকেটের আরেক পাশে সাবলীলভাবে ব্যাট চালাতে থাকেন তানজিদ হাসান তামিম।

তামিমকে সঙ্গ দিতে থাকা নাজমুল হোসেন শান্ত (২৭) ফেরেন পাকিস্তানি পেসার হারিস রউফের ওভারে। এরপর লিটন দাসকে সঙ্গে নিয়ে এগোতে থাকেন তানজিদ।

অবশেষে ৩৩তম ওভারের শেষ বলে ছক্কা হাঁকিয়ে আন্তর্জাতিক ক্রিকেট ক্যারিয়ারের প্রথম সেঞ্চুরির দেখা পান তানজিদ তামিম। সেঞ্চুরির জন্য তিনি খরচ করেন ৯৮ বল, ৭টি ছক্কা এবং ৬টি চারের মারে সাজানো ছিল তার এই দারুণ ইনিংস। তবে সেঞ্চুরির পর নিজের ইনিংসটা লম্বা করতে পারেনি এই ওপেনার। ফেরেন ১০৭ বলে ১০৭ রান করেন। 

দলীয় ২৬২ রানে ফেরেন লিটন কুমার দাস। তিনি ৫১ বলে এক চার আর এক ছক্কায় ৪১ রান করে আউট হন। তবে পাঁচ নম্বর পজিশনে ব্যাটিংয়ে নেমে ইনিংসের শেষ বল পর্যন্ত খেলে যান তাওহীদ হৃদয়। তার ৪৪ বলের ৪৮ রানের ইনিংসের সুবাদে ২৯০ রান তুলতে সক্ষম হয় বাংলাদেশ।


হিন্দুস নিউজ

প্রকাশক & সম্পাদক: শুভ চন্দ্র দে
HINDUS NEWS মিডিয়া লিমিটেডের পক্ষে প্রকাশক কর্তৃক ঢাকা থেকে প্রকাশিত

প্রকাশক & সম্পাদক: শুভ চন্দ্র দে,🔴HINDUS NEWS মিডিয়া লিমিটেডের পক্ষে প্রকাশক কর্তৃক ঢাকা থেকে প্রকাশিত।🔴যোগাযোগ: +88 01890890920🔴 ই-মেইল: news@hindus.news 🔴 বিজ্ঞাপন: ads@hindus.news
শ্বাসরুদ্ধকর ম্যাচে দীর্ঘ ১১ বছর পর পাকিস্তানকে হারিয়ে সিরিজ জয় বাংলাদেশের
0:00 0:00
1.0x