পুলিশের অভ্যন্তরীণ সংস্কারের ওপর গুরুত্বারোপ করে সালাহউদ্দিন আহমদ জানান, রাষ্ট্রকাঠামো সংস্কারের অংশ হিসেবে একটি স্বাধীন ও শক্তিশালী ‘পুলিশ সংস্কার কমিশন’ গঠনের কাজ চলমান রয়েছে। এই কমিশনের মাধ্যমে নিয়োগ, বদলি ও পদোন্নতির ক্ষেত্রে রাজনৈতিক বিবেচনার পরিবর্তে একমাত্র ‘মেধা’কে মানদণ্ড হিসেবে প্রতিষ্ঠা করা হবে। যুগের সাথে তাল মিলিয়ে পুলিশ বাহিনীকে জনবান্ধব করতে আইন সংস্কারের উদ্যোগও নেয়া হয়েছে। জননিরাপত্তা নিশ্চিত করতে এবং পুলিশের মনোবল চাঙ্গা করতে জনবল বৃদ্ধিসহ নানাবিধ সুযোগ-সুবিধা বাড়ানোর পরিকল্পনাও সরকারের অগ্রাধিকার তালিকায় রয়েছে।
এদিন ৪৩তম বিসিএস ব্যাচের মোট ৭২ জন শিক্ষানবিশ সহকারী পুলিশ সুপার তাদের কঠোর প্রশিক্ষণ শেষ করে দেশসেবার শপথ নেন, যার মধ্যে ৬৬ জন পুরুষ ও ৬ জন নারী কর্মকর্তা রয়েছেন। প্যারেড কমান্ডার হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন আহমেদ সাদমান সাকিব। প্রশিক্ষণে বিশেষ কৃতিত্বের জন্য ‘বেস্ট প্রবেশনার’ ও ‘বেস্ট একাডেমিক’ ক্যাটাগরিতে দ্বৈত শ্রেষ্ঠত্ব অর্জন করেন মো. ফাহিম ফয়সাল। এছাড়া ফিল্ড অ্যাক্টিভিটিজে মো. আরাফাত হোসেন এবং হর্সম্যানশিপে শাওন রেজা শ্রেষ্ঠত্ব দেখান। বিশেষ করে বেস্ট শ্যুটার হিসেবে গৌরব অর্জন করেন বাপী কুমার দাশ, যা নবীন কর্মকর্তাদের পেশাদারিত্বের এক উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত হয়ে রইল। সমাপনী কুচকাওয়াজ শেষে মন্ত্রী নবীন কর্মকর্তাদের সততা ও নিষ্ঠার সাথে সনাতন ধর্মাবলম্বীসহ সর্বস্তরের মানুষের জানমালের সুরক্ষা দেওয়ার আহ্বান জানান।
মতামত