প্রধান অতিথির বক্তব্যে অধ্যাপক ড. সায়মা হক বিদিশা বাংলা নববর্ষের সার্বিক প্রস্তুতি গ্রহণের জন্য সংশ্লিষ্ট সকলকে আন্তরিক ধন্যবাদ জ্ঞাপন করেন। তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন যে, অতীতের ধারাবাহিকতায় এবারও অত্যন্ত সুশৃঙ্খল এবং আনন্দঘন পরিবেশে নববর্ষ উদযাপিত হবে। বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন উৎসবটিকে সাফল্যমণ্ডিত করতে সর্বোচ্চ আন্তরিকতার সাথে কাজ করছে এবং নিরাপত্তার বিষয়টি বিশেষ গুরুত্ব সহকারে দেখা হচ্ছে বলে তিনি জানান। চারুকলার আঙিনায় বর্তমানে দিনরাত চলছে নববর্ষের শোভাযাত্রার কাঠামো নির্মাণ ও লোকজ ঘরানার চিত্রকর্মের কাজ, যা বাঙালির আত্মপরিচয়কে বিশ্বদরবারে আরও জোরালোভাবে উপস্থাপন করবে।
মঙ্গল কামনায় নববর্ষের সাজে চারুকলা: উৎসবের প্রস্তুতি শুরু
সনাতনী ঐতিহ্য ও বাঙালির প্রাণের উৎসব বাংলা নববর্ষ ১৪৩৩-কে বরণ করে নিতে নতুন সাজে সেজে উঠছে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের চারুকলা অনুষদ। অশুভ শক্তির বিনাশ আর মঙ্গলের বার্তা নিয়ে আসা এই উৎসবের প্রস্তুতির আনুষ্ঠানিক শুভ সূচনা হয়েছে আজ সোমবার (৩০ মার্চ)। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রো-ভাইস চ্যান্সেলর (প্রশাসন) অধ্যাপক ড. সায়মা হক বিদিশা প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে এই বর্ণিল প্রস্তুতি কার্যক্রমের উদ্বোধন করেন। চারুকলা অনুষদ প্রাঙ্গণে আয়োজিত এই অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন অনুষদের ডিন অধ্যাপক ড. মো. আজহারুল ইসলাম শেখ।
উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথির বক্তব্যে একুশে পদকপ্রাপ্ত প্রথিতযশা শিল্পী অধ্যাপক ড. আবদুস সাত্তার বাঙালির হাজার বছরের সাংস্কৃতিক উত্তরাধিকার ও পহেলা বৈশাখের ধর্মীয় ও সামাজিক গুরুত্বের ওপর আলোকপাত করেন। এ সময় অনুষদজুড়ে এক উৎসবমুখর এবং আধ্যাত্মিক আবহের সৃষ্টি হয়। শঙ্খধ্বনি আর উলুধ্বনি না থাকলেও শিল্পীদের তুলির টানে ফুটে উঠতে শুরু করেছে লোকজ মোটিফ ও অসাম্প্রদায়িক চেতনার প্রতিচ্ছবি। অনুষ্ঠানে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর অধ্যাপক সাইফুদ্দীন আহমদসহ সহকারী প্রক্টর, চারুকলার বিভিন্ন বিভাগের শিক্ষক-শিক্ষার্থী, দেশের বিশিষ্ট সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্ব এবং শিল্পীবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।
0.0%
0.0%
0.0%
0.0%
মতামত