হিন্দুস নিউজ

বাবার খুনের পর চাকরি পেয়েছিলেন রেশমী, এবার ক্যানিং থানাতেই ঝুলন্ত দেহ ! রাজনৈতিক যোগের অভিযোগ


| প্রিন্ট সংস্করণ

বাবার খুনের পর চাকরি পেয়েছিলেন রেশমী, এবার ক্যানিং থানাতেই ঝুলন্ত দেহ ! রাজনৈতিক যোগের অভিযোগ
Hindus News Voice of Hinduism
আপনার পণ্য ও প্রতিষ্ঠানের বিজ্ঞাপন দিন Hindus News এ।
দক্ষিণ ২৪ পরগনার ক্যানিং থানার পুলিশ কোয়ার্টার থেকে উদ্ধার হওয়া মহিলা হোমগার্ড রেশমী মোল্লার ঝুলন্ত দেহ ঘিরে তীব্র চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। মৃতের পরিবার স্পষ্ট অভিযোগ তুলেছে—এটি আত্মহত্যা নয়, বরং পরিকল্পিত খুন। পরিবারের দাবি, অতীতে রেশমীর বাবাকেও রাজনৈতিক কারণে খুন করা হয়েছিল, আর সেই সূত্রেই আজ রেশমীকেও হত্যা করা হয়েছে।

জানা গেছে, ক্যানিং থানার পুলিশ আবাসনে কর্মরত মহিলা হোমগার্ড রেশমী মোল্লার দেহ ঝুলন্ত অবস্থায় উদ্ধার হয়। ঘটনাকে প্রথমে আত্মহত্যা বলে দেখানোর চেষ্টা হলেও মৃতের পরিবার ও বিভিন্ন সংগঠনের পক্ষ থেকে খুনের অভিযোগ তোলা হয়। পরিবার সূত্রে দাবি, রেশমীর বাবাকে কয়েক বছর আগে ভাঙর এলাকায় খুন করা হয়েছিল। সেই ঘটনায় শাসকদলের প্রভাবশালী নেতা ও ক্যানিংয়ের বিধায়ক শওকত মোল্লার নামও উঠেছিল বলে অভিযোগ। বাবার মৃত্যুর পর সহানুভূতিশীল নিয়োগে বাবার চাকরিটিই পেয়েছিলেন রেশমী।

এই ঘটনার পর সারা ভারত গণতান্ত্রিক মহিলা সমিতির দক্ষিণ ২৪ পরগনা জেলা কমিটির পক্ষ থেকে সোমবার ক্যানিং থানায় বিক্ষোভ ও ডেপুটেশন কর্মসূচি নেওয়া হয়। সংগঠনের পক্ষ থেকে ক্যানিং থানার সাব-ইন্সপেক্টর সায়ন ভট্টাচার্যকে অবিলম্বে গ্রেপ্তার ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানানো হয়। বিক্ষোভ শেষে থানার সামনে পথ অবরোধও করা হয়।

মহিলা সমিতির নেত্রীদের অভিযোগ, মহিলা হোমগার্ডকে পুলিশ আবাসনের মধ্যেই খুন করা হয়েছে এবং অভিযুক্তকে আড়াল করার চেষ্টা চলছে। তাঁরা স্পষ্টভাবে হুঁশিয়ারি দেন, যদি ন্যায়বিচার না পাওয়া যায়, তাহলে আগামী দিনে থানা ঘেরাও-সহ আরও বৃহত্তর আন্দোলনে নামা হবে।

Hindus News Voice of Hinduism
আপনার পণ্য ও প্রতিষ্ঠানের বিজ্ঞাপন দিন Hindus News এ।

উল্লেখ্য, মৃত রেশমী মোল্লা জীবনতলা থানা এলাকার বাসিন্দা ছিলেন। এই ঘটনায় মৃতার পরিবার ক্যানিং থানায় এফআইআর দায়ের করে অভিযুক্ত সাব-ইন্সপেক্টর সায়ন ভট্টাচার্যের বিরুদ্ধে কঠোর শাস্তির দাবি জানিয়েছে। পরিবার দাবি করেছে, রেশমীকে মানসিক ও শারীরিকভাবে নির্যাতন করা হচ্ছিল।

চাপের মুখে ক্যানিং থানার পুলিশ অভিযুক্তের বিরুদ্ধে খুনের মামলা রুজু করেছে। পাশাপাশি গোটা ঘটনার তদন্তে বারুইপুর পুলিশ জেলার পক্ষ থেকে একটি বিশেষ তদন্তকারী দল (SIT) গঠন করা হয়েছে।

0.0%
0.0%
0.0%
0.0%

মতামত

হিন্দুস নিউজ

রোববার, ২৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬


বাবার খুনের পর চাকরি পেয়েছিলেন রেশমী, এবার ক্যানিং থানাতেই ঝুলন্ত দেহ ! রাজনৈতিক যোগের অভিযোগ

প্রকাশের তারিখ : ৩০ ডিসেম্বর ২০২৫

featured Image
দক্ষিণ ২৪ পরগনার ক্যানিং থানার পুলিশ কোয়ার্টার থেকে উদ্ধার হওয়া মহিলা হোমগার্ড রেশমী মোল্লার ঝুলন্ত দেহ ঘিরে তীব্র চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। মৃতের পরিবার স্পষ্ট অভিযোগ তুলেছে—এটি আত্মহত্যা নয়, বরং পরিকল্পিত খুন। পরিবারের দাবি, অতীতে রেশমীর বাবাকেও রাজনৈতিক কারণে খুন করা হয়েছিল, আর সেই সূত্রেই আজ রেশমীকেও হত্যা করা হয়েছে।

জানা গেছে, ক্যানিং থানার পুলিশ আবাসনে কর্মরত মহিলা হোমগার্ড রেশমী মোল্লার দেহ ঝুলন্ত অবস্থায় উদ্ধার হয়। ঘটনাকে প্রথমে আত্মহত্যা বলে দেখানোর চেষ্টা হলেও মৃতের পরিবার ও বিভিন্ন সংগঠনের পক্ষ থেকে খুনের অভিযোগ তোলা হয়। পরিবার সূত্রে দাবি, রেশমীর বাবাকে কয়েক বছর আগে ভাঙর এলাকায় খুন করা হয়েছিল। সেই ঘটনায় শাসকদলের প্রভাবশালী নেতা ও ক্যানিংয়ের বিধায়ক শওকত মোল্লার নামও উঠেছিল বলে অভিযোগ। বাবার মৃত্যুর পর সহানুভূতিশীল নিয়োগে বাবার চাকরিটিই পেয়েছিলেন রেশমী।

এই ঘটনার পর সারা ভারত গণতান্ত্রিক মহিলা সমিতির দক্ষিণ ২৪ পরগনা জেলা কমিটির পক্ষ থেকে সোমবার ক্যানিং থানায় বিক্ষোভ ও ডেপুটেশন কর্মসূচি নেওয়া হয়। সংগঠনের পক্ষ থেকে ক্যানিং থানার সাব-ইন্সপেক্টর সায়ন ভট্টাচার্যকে অবিলম্বে গ্রেপ্তার ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানানো হয়। বিক্ষোভ শেষে থানার সামনে পথ অবরোধও করা হয়।

মহিলা সমিতির নেত্রীদের অভিযোগ, মহিলা হোমগার্ডকে পুলিশ আবাসনের মধ্যেই খুন করা হয়েছে এবং অভিযুক্তকে আড়াল করার চেষ্টা চলছে। তাঁরা স্পষ্টভাবে হুঁশিয়ারি দেন, যদি ন্যায়বিচার না পাওয়া যায়, তাহলে আগামী দিনে থানা ঘেরাও-সহ আরও বৃহত্তর আন্দোলনে নামা হবে।

উল্লেখ্য, মৃত রেশমী মোল্লা জীবনতলা থানা এলাকার বাসিন্দা ছিলেন। এই ঘটনায় মৃতার পরিবার ক্যানিং থানায় এফআইআর দায়ের করে অভিযুক্ত সাব-ইন্সপেক্টর সায়ন ভট্টাচার্যের বিরুদ্ধে কঠোর শাস্তির দাবি জানিয়েছে। পরিবার দাবি করেছে, রেশমীকে মানসিক ও শারীরিকভাবে নির্যাতন করা হচ্ছিল।

চাপের মুখে ক্যানিং থানার পুলিশ অভিযুক্তের বিরুদ্ধে খুনের মামলা রুজু করেছে। পাশাপাশি গোটা ঘটনার তদন্তে বারুইপুর পুলিশ জেলার পক্ষ থেকে একটি বিশেষ তদন্তকারী দল (SIT) গঠন করা হয়েছে।


হিন্দুস নিউজ

প্রকাশক & সম্পাদক: শুভ চন্দ্র দে
HINDUS NEWS মিডিয়া লিমিটেডের পক্ষে প্রকাশক কর্তৃক ঢাকা থেকে প্রকাশিত

প্রকাশক & সম্পাদক: শুভ চন্দ্র দে,🔴HINDUS NEWS মিডিয়া লিমিটেডের পক্ষে প্রকাশক কর্তৃক ঢাকা থেকে প্রকাশিত।🔴যোগাযোগ: +88 01890890920🔴 ই-মেইল: news@hindus.news 🔴 বিজ্ঞাপন: ads@hindus.news
বাবার খুনের পর চাকরি পেয়েছিলেন রেশমী, এবার ক্যানিং থানাতেই ঝুলন্ত দেহ ! রাজনৈতিক যোগের অভিযোগ
0:00 0:00
1.0x