হিন্দু তুমি ধার্মিক হও, তবে যোদ্ধা হওয়াটাও আবশ্যক। পেশিশক্তি বাদ দিয়ে শুধু প্রেম দিয়ে ধর্ম হয় না, শুধু প্রেম দিয়ে যদি ধর্ম হতো তাহলে জন্মজন্মান্তর ধরে হিন্দুজাতি সংখ্যালঘুতে পরিনত হত না।
আপনারা একটা বিষয় অবগত আছেন যে শ্রীকৃষ্ণ যেমন ধার্মিক আবার একজন ধর্মযোদ্ধাও, অর্থাৎ ধার্মিক এর অবস্থান থেকে প্রচন্ড ধার্মিক আবার যুদ্ধের বেলায় অতুলনীয় কূটনীতিক সম্পন্ন একজন মহানযোদ্ধা।
১ মাস বয়সে: পুতনা বধ।
৩ মাস বয়সে: শকটাসুর বধ।
১ বছর বয়সে: তৃণাবর্তাসুর বধ।
২ বছর বয়সে: বৎসাসুর বধ।
৪ বছর বয়সে: বকাসুর বধ।
৫ বছর বয়সে: অঘাসুর বধ।
৬ বছর বয়সে: ধেনুকাসুর বধ।
১০ বছর বয়স পর্যন্ত: কৈশোরের বিভিন্ন সময়ে আরও অনেক অসুর বধ করেছে।
১২ বছর বয়সে: মথুরায় কংস বধ।
শ্রীকৃষ্ণ প্রেমের মাধ্যমে যদি এদের ভালো করতে পারতো তাহলে আর এতগুলো অসুর বধ করতে হত না।
এবার তার অনুসারীদের দিখে দেখলে পুরোপুরি বিপরীত প্রতিক্রিয়া দেখা যায়। তারা ধর্মের গুনাবলি নিয়ে অসীম গুনান্বিত তাতে কোন সন্দেহ নায়, কিন্তু ধর্ম রক্ষার কথা বললে তাদের ভয় হয়, গায়ে চুলকানি বেড়ে যায়, তার কারন পেশিশক্তি দূর্বল।
তবে বিশ্বের বাঘা বাঘা জ্ঞানীগুনী যোদ্ধাদের কাছে প্রাচীন কাল থেকে শ্বাশত ও চিরন্তন ধর্ম "সনাতন" পরিলক্ষিত হয়ে এসেছে। তারপরও কিন্তু যুগ যুগ ধরে হিন্দুধর্মের এই বেহাল দশা হওয়ার কারন একটায় হিন্দুজাতি পেশিশক্তির দিকে খুবই দূর্বল। এই দূর্বলতা হিন্দুজাতিকে প্রজন্মের পর প্রজন্ম ধ্বংস করে দিচ্ছে। এত ধর্ম আর এত মন্দির নির্মাণ কি হিন্দুদের সুরক্ষা দিতে পারছে??? না।
আপনার চোখের সামনে অথবা অগোচরে দীপু চন্দ্র দাস, অমৃত মন্ডল, বজেন্দ্র বিশ্বাস, খোকন চন্দ্র দাসের মত নিরীহ হিন্দুদের প্রাণ বিসর্জন দিতে হয়েছে। বিনিময়ে আমরা ফেসবুকে দুইএক কলম লিখে প্রতিবাদ, রাজপথে আন্দোলন ও মোমবাতি জ্বালিয়ে নিরব প্রতিবাদ জানিয়ে দাঁয়সাড়া দিয়ে চলে এসেছি। কিন্তু এটা ভেবেছেন কি হিন্দুদের মধ্যে আমি বা আপনি পরবর্তী টার্গেটে আছি??? ভাবেন নাই।
এখন থেকে ভাবার চিন্তা করুন, কি করে আপনার নতুন প্রজন্মকে ধার্মিকতার সাথে ধর্মযোদ্ধা হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করবেন। পেশিশক্তি নাহলে পলায়ন করবেন, নয়তো বিধর্মীদের হাতে নিজেকে বলিদান দিতে হবে।
মতামত