ভারতের উত্তরপ্রদেশের শাহজাহানপুরে মন্দিরের জমি ও কর্তৃত্ব দখলের লোভে দুই প্রবীণ সনাতনী সাধুকে নৃশংসভাবে হত্যা করে তাঁদের মরদেহে আগুন ধরিয়ে দেওয়ার এক বর্বরোচিত ঘটনা ঘটেছে। গত ১ অক্টোবর ২০২৬, বৃহস্পতিবার সকালে জেলার খুদাগঞ্জ থানার সুথা গ্রামে এই মর্মান্তিক ও ঘৃণ্য অপরাধের চিত্র সামনে আসে। নিহত প্রবীণ সাধুদ্বয় হলেন মন্দিরের প্রধান পুরোহিত বাবা গোপাল দাস (৭০) এবং বাবা বিহারী দাস (৬০)। দীর্ঘকাল ধরে তাঁরা উক্ত মন্দিরের সেবা ও ধর্মীয় কার্য পরিচালনা করে আসছিলেন। স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, সুমিথ সিং নামের এক দুষ্কৃতী মন্দিরের পবিত্র সম্পত্তি ও সার্বিক নিয়ন্ত্রণ নিজের কবজায় নেওয়ার জন্য দীর্ঘদিন ধরে এই নিরীহ সাধুদের ওপর নানামুখী মানসিক চাপ ও হুমকি দিয়ে আসছিল। (News copied from- 'হিন্দুস নিউজ') প্রাথমিক তদন্তে পুলিশ নিশ্চিত করেছে যে, গত ১ অক্টোবর অভিযুক্ত ব্যক্তি সুপরিকল্পিতভাবে ভারী কোনো বস্তু দিয়ে আঘাত করে সাধু দুজনকে অত্যন্ত নির্মমভাবে হত্যা করে। পরবর্তীতে অপরাধের আলামত ও প্রমাণ সম্পূর্ণ ধামাচাপা দেওয়ার উদ্দেশ্যে নিহত সাধুদের দেহাবশেষে আগুন ধরিয়ে দেয় অভিযুক্ত দুষ্কৃতী। খবর পেয়ে পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে অভিযুক্ত সুমিথ সিংকে গ্রেফতার করতে সক্ষম হয় এবং সাধুদের মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য পাঠায়। এই অনাকাঙ্ক্ষিত ও নৃশংস ঘটনায় বিশ্বজুড়ে সনাতন ধর্মাবলম্বী ও মানবাধিকার কর্মীদের মনে তীব্র ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে। সার্বিক সামাজিক নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণ এবং ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানের পবিত্রতা রক্ষায় অভিযুক্তের দৃষ্টান্তমূলক ও কঠোর শাস্তির জোরালো দাবি উঠেছে।
মতামত