ভারতের পাঞ্জাবের অমৃতসরে একটি মন্দির চত্বরে তফশিলি সম্প্রদায়ের দুই নারীকে আটকে রেখে লাগাতার ধর্ষণের ন্যাক্কারজনক ঘটনায় তীব্র ক্ষোভ ও নিন্দার ঝড় উঠেছে। অমৃতসরের লোপোকে থানার অন্তর্গত রামতীর্থ কমপ্লেক্সের গুরু জ্ঞান নাথ আশ্রম বাল্মীকি তীর্থে এই অমানবিক ও পৈশাচিক ঘটনাটি ঘটেছে। নির্যাতিত দুই নারী তাদের ওপর চলা দীর্ঘদিনের পাশবিক নির্যাতন ও দুরবস্থার কথা জানিয়ে সরাসরি পাঞ্জাবের তফশিলি কমিশনের সদস্য তারসেম সিং সায়ালকারের কাছে একটি চিঠি পাঠিয়েছিলেন, যার ভিত্তিতেই এই দ্রুত প্রশাসনিক পদক্ষেপ গ্রহণ করা হয়েছে। তফশিলি কমিশনের সদস্যের পাঠানো অভিযোগের ভিত্তিতে পুলিশ ওই আশ্রমে আকস্মিক অভিযান চালিয়ে দুই নারীকে উদ্ধার করে এবং ঘটনার সঙ্গে সরাসরি জড়িত থাকার অভিযোগে মন্দিরের প্রধান পুরোহিত মহন্ত গিরিধারি নাথ ও তার সহযোগী বারিন্দর নাথকে হাতেনাতে গ্রেপ্তার করে। তবে অত্যন্ত উদ্বেগের বিষয় হলো, এই heinous বা জঘন্য অপরাধের সঙ্গে যুক্ত অপর দুই অভিযুক্ত নাছট্টর সিং ও সুরজ নাথ এখনও পুলিশকে ফাঁকি দিয়ে পালিয়ে বেড়াতে সক্ষম হয়েছে। স্থানীয় ডিএসপি প্রতাপ সিং সংবাদমাধ্যমকে জানিয়েছেন যে, গ্রেপ্তার হওয়া দুই অভিযুক্তকে নিবিড় জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে এবং পলাতক অভিযুক্তদের দ্রুত খুঁজে বের করে আইনের আওতায় আনতে পুলিশের বিশেষ দল তল্লাশি অভিযান চালাচ্ছে।
News copied from- 'হিন্দুস নিউজ' এই ন্যক্কারজনক অপরাধের তীব্র নিন্দা জানিয়ে সনাতনী সমাজ ও মানবাধিকার কর্মীরা দাবি তুলেছেন যে, তফশিলি সম্প্রদায়ভুক্ত ও পিছিয়ে পড়া নারীদের সুরক্ষা নিশ্চিত করতে এবং মন্দিরের পবিত্রতা রক্ষা করতে জড়িত সকল অপরাধীর দৃষ্টান্তমূলক ও কঠোর শাস্তির ব্যবস্থা করতে হবে যাতে ভবিষ্যতে এই ধরনের পৈশাচিক ঘটনার পুনরাবৃত্তি রোধ করা সম্ভব হয়।
মতামত