পরবর্তীতে সহিংসতা প্রতিরোধ ও মানবাধিকার রক্ষার তাগিদে স্থানীয় প্রশাসন সুনসারি সহ আশপাশের বিস্তীর্ণ এলাকায় কঠোর কারফিউ জারি করে। তবে প্রশাসনিক কড়াকড়ির মধ্যেও ক্ষোভের আগুন থামেনি; বৃহস্পতিবার সিরাহা জেলায় কারফিউ চলাকালীন এক বিক্ষোভে আরও এক ব্যক্তির জীবনাবসান ঘটে, যা এই অঞ্চলের সর্বজনীন মানবাধিকার ও নিরাপত্তা ব্যবস্থাকে গভীর প্রশ্নের মুখে ফেলে দিয়েছে। সংঘাতের দাবানল ছড়িয়ে পড়ায় বর্তমানে সুনসারি, সপ্তারি, সিরাহা, ধনুষা ও পারসা জেলা জুড়ে সান্ধ্য আইন জারি করা হয়েছে এবং ভারী সশস্ত্র সেনা ও পুলিশ সদস্য মোতায়েন রয়েছে। পরিস্থিতির ভয়াবহতা অনুধাবন করে নেপালের প্রধানমন্ত্রী বালেন্দ্র শাহ এক ভিডিও বার্তায় সকল ধর্মীয় সম্প্রদায়, সুশীল সমাজ ও রাজনৈতিক দলগুলোকে সংযম ও শান্তি বজায় রাখার আহ্বান জানিয়েছেন। একইসাথে তিনি প্রতিটি নাগরিকের জীবনের নিরাপত্তা ও ন্যায়বিচার সুনিশ্চিত করতে সম্পূর্ণ নিরপেক্ষ ও স্বচ্ছ তদন্তের মাধ্যমে দোষীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন।
নেপালে সনাতনীদের উৎসবে হিন্দু-মুসলিম সংঘর্ষে তিনজন নিহত, বাড়ছে উত্তেজনা
মতামত