স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, হোলি উদযাপনের দিন দুপুরের দিকে বোরখা পরা এক নারী তরুণ কুমারের বাড়ির সামনে দিয়ে হেঁটে যাচ্ছিলেন। সেই সময় তরুণ কুমারের ছয় বছর বয়সী মেয়ে বাড়ির ছাদে খেলছিল এবং নিচে দাঁড়িয়ে থাকা বাবার সঙ্গে দুষ্টুমি করছিল।
এ সময় শিশুটি খেলতে খেলতে রং ও পানি মেশানো একটি পুটলি নিচে ছুঁড়ে দিলে তা ভুলবশত ওই নারীর গায়ে পড়ে যায়। ঘটনাটি ঘটার পরপরই তরুণ কুমার ওই নারীর কাছে ক্ষমা চান বলে স্থানীয়রা জানিয়েছেন।
অভিযোগ রয়েছে, ঘটনার কিছু সময় পর ওই নারী তার এলাকায় গিয়ে লোকজনকে ডেকে আনেন। কিছুক্ষণের মধ্যেই প্রায় ৫০ থেকে ৬০ জনের একটি দল ঘটনাস্থলে এসে উত্তেজনা সৃষ্টি করে। পরিস্থিতি খারাপের দিকে যেতে পারে বুঝতে পেরে তরুণ কুমার তার পরিবারকে নিয়ে ঘরের দরজা বন্ধ করে দেন।
পরে উত্তেজিত জনতা জোর করে দরজা ভেঙে ঘরে প্রবেশ করে তাকে মারধর করে এবং বাইরে টেনে এনে বেধড়ক পিটিয়ে গুরুতর আহত করে বলে অভিযোগ উঠেছে। আশপাশের লোকজন পরে তাকে উদ্ধার করে হাসপাতালে নিয়ে গেলে চিকিৎসকরা তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
ঘটনার পর পুরো এলাকায় উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। স্থানীয় প্রশাসন পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনার চেষ্টা করছে। পুলিশ জানিয়েছে, ঘটনাটি গুরুত্বের সঙ্গে তদন্ত করা হচ্ছে এবং জড়িতদের শনাক্ত করে আইনের আওতায় আনার প্রক্রিয়া চলছে।
মতামত