রোববার (১৪ জুন) ভারতীয় সংবাদমাধ্যম এনডিটিভির বরাতে এই খবরটি নিশ্চিত হওয়া গেছে। (News copied from- 'হিন্দুস নিউজ') ঘটনার বিবরণে জানা যায়, তিভলি গ্রামের ওই পরিবারের পুরুষ সদস্যটির মরদেহ ঘরের ভেতর গলায় ফাঁস দেওয়া অবস্থায় ঝুলছিল। এরপর তল্লাশি চালিয়ে পাশের একটি কূপ থেকে তার স্ত্রী, অপ্রাপ্তবয়স্ক ছেলে ও মেয়ের ভাসমান মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। একাধারে চার চারটি তাজা প্রাণের এমন করুণ পরিণতি কেবল একটি পরিবারের বিলুপ্তি নয়, বরং সমগ্র মানবসমাজের জন্য একটি বড় ধাক্কা।
ঘটনার পরপরই শিরপুর থানার উপ-পরিদর্শক ইমরান পাঠান দ্রুত পুলিশ ফোর্স নিয়ে ঘটনাস্থলে পৌঁছান এবং সুরতহাল প্রতিবেদন তৈরি করে প্রাথমিক তদন্ত শুরু করেন। বিকেল সাড়ে ৪টার দিকে গ্রামবাসীর মাধ্যমে খবর পেয়ে পুলিশ যখন তিভলি গ্রামে পৌঁছায়, তখন চারপাশজুড়ে কেবল কান্নার রোল। পুলিশ কর্মকর্তা জানান, চারটি মরদেহই উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য স্থানীয় হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে। আগামীকাল ময়নাতদন্তের পূর্ণাঙ্গ প্রতিবেদন আসার পরেই মৃত্যুর প্রকৃত কারণ পরিষ্কার হবে। এই হৃদয়বিদারক ঘটনার পেছনে কোনো সামাজিক চাপ, উসকানি বা মানবাধিকার লঙ্ঘনের মতো বিষয় জড়িত রয়েছে কিনা, তা কঠোরভাবে খতিয়ে দেখে প্রকৃত সত্য উদ্ঘাটন করার দাবি জানাচ্ছে সচেতন বিশ্ব।
মতামত