ঘটনাটির পর বিএসএফ এবং বিজিবির মধ্যে দুই দফা ফ্ল্যাগ মিটিং অনুষ্ঠিত হলেও বিষয়টির কোনো ইতিবাচক সুরাহা হয়নি। (News copied from- 'হিন্দুস নিউজ') ওপার দেশের সংবাদমাধ্যম সূত্রে জানা যাচ্ছে, দীপঙ্করকে বর্তমানে বাংলাদেশের পঞ্চগড় জেলা পুলিশের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে। স্থানীয় সূত্রের খবর, কিছুদিন আগে বাংলাদেশের এক বৃদ্ধকে পাচারকারী সন্দেহে বিএসএফ আটক করেছিল, আর সেই ঘটনারই আক্রোশ মেটাতে সাধারণ, নিরীহ কৃষক দীপঙ্করকে চুরির মিথ্যা অভিযোগে বন্দী করা হয়েছে। ঘরের একমাত্র উপার্জনক্ষম মানুষের এমন পরিণতিতে রাজগঞ্জের গোপ পরিবারে নেমে এসেছে গভীর শোক ও অনিশ্চয়তার ছায়া। ওপারে পিতা কারাগারে বন্দী, আর এপারে মায়ের কোলে বসে অবুঝ দুই সন্তান কেবলই কেঁদে চলেছে বাবার পথ চেয়ে। সীমান্ত রাজনীতি আর কূটনীতির টানাফোড়েনে এক নিরপরাধ মানুষের বলির পাঠা হওয়া নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন দীপঙ্করের স্ত্রী। বিএসএফ ও স্থানীয় প্রশাসনের আশ্বাস মিললেও চরম দিশাহীন অবস্থায় দিন কাটাচ্ছে পুরো পরিবার। সীমান্ত লাগোয়া এলাকার সনাতনী পরিবারের এই চরম মানবিক সংকটে অবিলম্বে রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী ও দেশের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর হস্তক্ষেপ দাবি করছে ভুক্তভোগী পরিবারটি।
ভারতীয় কৃষককে বাংলাদেশে বন্দির ঘটনায় ঘনিয়েছে ক্ষোভ
সীমান্তের কাঁটাতারের ওপারে নিজেদের জমিতে কৃষিকাজ করতে যাওয়াটাই যেন কাল হলো ভারতীয় নাগরিক দীপঙ্কর গোপের জন্য। রাজগঞ্জের চাউলহাটি সীমান্তের বাসিন্দা দীপঙ্কর প্রতিদিনের মতোই শনিবার সকালে কাঁটাতারের ওপারের নিজস্ব জমিতে কাজ করতে গিয়েছিলেন। সকাল সাতটায় জমিতে গিয়ে ১১টার মধ্যে বাড়ি ফেরাটাই ছিল তাঁর দীর্ঘদিনের চেনা রুটিন। কিন্তু শনিবারের সকালটি তাঁর ও তাঁর পরিবারের জন্য বয়ে আনে এক দুঃসহ বিপর্যয়। কাজ করার সময় আচমকাই তাঁকে ঘিরে ফেলে একদল বাংলাদেশী দুষ্কৃতী এবং সেখান থেকে তাঁকে ধরে নিয়ে গিয়ে বন্দী করে রাখা হয়। ঘটনার পর চার দিন পার হয়ে গেলেও দীপঙ্করের নিজ ঘরে ফেরার কোনো নিশ্চিত সংকেত পাওয়া যায়নি।
0.0%
0.0%
0.0%
0.0%
মতামত