ঘটনার দিন প্রেমিকার সঙ্গে দেখা করতে এলে আরমানের ওপর এবং নিজের বোন কাজলের ওপর বেলচা দিয়ে হামলা চালায় ওই তিন দাদা। ঘটনাস্থলেই দু’জনের মৃত্যু হয়।
হত্যার পর প্রমাণ লোপাটের উদ্দেশ্যে রাতের আঁধারে তাঁদের দেহ দুটি গ্রামের একটি মন্দিরের পিছনের জমিতে পুঁতে দেওয়া হয়।
এদিকে আরমান দীর্ঘ সময় বাড়ি না ফেরায় তাঁর বাবা হানিফ থানায় নিখোঁজ ডায়েরি করেন। তদন্তে নেমে পুলিশ জানতে পারে কাজলও দুই দিন ধরে নিখোঁজ। এরপর জিজ্ঞাসাবাদের সময় কাজলের দুই দাদা নিজেদের অপরাধ স্বীকার করেন।
পরবর্তীতে পুলিশ খুনের অভিযোগে দুই দাদাকে গ্রেপ্তার করে। তৃতীয় দাদার সন্ধানে এখনও অভিযান চালানো হচ্ছে।
এই নির্মম হত্যাকাণ্ড ঘিরে এলাকায় চরম উত্তেজনা ও শোকের পরিবেশ বিরাজ করছে। মানবিক সম্পর্কের উপর সামাজিক ও ধর্মীয় বিদ্বেষ যে কতটা ভয়াবহ পরিণতি ডেকে আনতে পারে, এই ঘটনা তারই করুণ উদাহরণ।।
মতামত