বিশাল এই আয়োজন এবং ভিভিআইপিদের আনাগোনা সামলাতে কলকাতা ট্রাফিক পুলিশ বিশেষ সতর্কতামূলক ব্যবস্থা গ্রহণ করেছে। শহরের উপকণ্ঠসহ একাধিক প্রধান রাস্তায় যান চলাচল নিয়ন্ত্রিত রাখার জন্য ইতিমধ্যেই বিশেষ বিজ্ঞপ্তি জারি করা হয়েছে। বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে যে, শনিবার ভোর ৪টা থেকে রাত ৮টা পর্যন্ত কলকাতায় সমস্ত ধরণের পণ্যবাহী গাড়ি চলাচলে কঠোর নিষেধাজ্ঞা থাকবে। তবে জরুরি পরিষেবা যেমন—ওষুধ, সবজি, দুধ এবং অক্সিজেন সরবরাহকারী গাড়িগুলো এই নিষেধাজ্ঞার আওতামুক্ত থাকবে।
ট্রাফিক পুলিশের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, এসপ্ল্যানেড র্যাম্প, খিদিরপুর রোড, হসপিটাল রোড, লাভার্স লেন, ক্যাসুরিনা অ্যাভিনিউ এবং কুইন্স ওয়েতে সাধারণ যান চলাচল সম্পূর্ণ নিয়ন্ত্রিত থাকবে। এছাড়াও এ জে সি বোস রোডে ভিক্টরিয়া মেমোরিয়ালের সামনের অংশ, ক্যাথিড্রাল রোড ও আশপাশের এলাকায় পার্কিং নিষিদ্ধ করা হয়েছে।
আগামীকালকের এই অনুষ্ঠানে শুভেন্দু অধিকারীর সাথে আর কারা মন্ত্রিসভায় ঠাঁই পাচ্ছেন, তা নিয়ে জল্পনা থাকলেও আনুষ্ঠানিকভাবে এখনো কোনো তালিকা প্রকাশ করা হয়নি। তবে গেরুয়া শিবিরের এই জয়কে বাংলার কৃষ্টি ও সংস্কৃতি রক্ষার লড়াইয়ে এক বিশাল জয় হিসেবে দেখছেন রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা। ব্রিগেড প্যারেড গ্রাউন্ডের এই শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠান কেবল একটি সরকারের পরিবর্তন নয়, বরং বাংলার মাটিতে এক নতুন জাতীয়তাবাদী চেতনার জাগরণ হিসেবেই গণ্য হচ্ছে।
মতামত